একজন কন্টেন্ট রাইটার সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠান অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে থাকেন। এ পেশায় যেতে লেখালেখি করার আগ্রহ থাকতে হবে আপনার। এছাড়া ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকা জরুরি।


কন্টেন্ট রাইটিং কি?
আসুন দেখে নেই কন্টেন্ট রাইটিং এর সংজ্ঞা কি।
র‍্যান্ডম হাউজ ডিকশনারির মতেঃ
Marketing that tries to attract customers by distributing informational content potentially useful to the target audience, rather than by advertising products and services in the traditional way.

এটা অভিধানের সংজ্ঞা। কাস্টমার এট্রাকশন কি এটা সবাই জানে, কিন্তু ইনফরমেশনাল কন্টেন্ট কি? অডিও, ভিডিও, আর্টিকেল এসব অনেককিছুই ইনফরমেশনাল কন্টেন্ট হতে পারে। কিন্তু সেসবই টার্গেট কাস্টমারের জন্য ইউজফুল হতে হবে।
বেসিক আইডিয়া হচ্ছে, টার্গেট মার্কেটে ইউজফুল ইনফরমেশন ফ্রি দিয়ে, তাদের থেকে কাস্টমার তৈরি করা। যদি তাদের আপনার ইনফরমেশন ভালো লাগে, তাদের আপনার প্রডাক্টও ভালো লাগতে পারে।
কন্টেন্ট রাইটিং বলতে যা বুঝাতে চাচ্ছিঃ

লেখাটা যেহেতু নতুনদের জন্য তাই সহজ ভাবেই বলছি - আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং এই প্রথম শুনে থাকেন তবুও আর্টিকেল রাইটিং নিশ্চয় শুনে থাকবেন। না শুনে থাকলেও সমস্যা নেই -শুনে নিন। বিভিন্য অথবা কোন একটি বিষয়ের উপর লেখা লেখি করা হচ্ছে আর্টিকেল রাইটিং। যেমন - খবরের কাগজে, ম্যাগাজিনে, অনলাইনে, কোন ওয়েবসাইট এর জন্য, কোন ভাষণ বা ক্লাশ লেকচার, কোন পণ্য বা অন্য কিছুর উপর আলোচনা বা সমালোচনা মুলক অথবা কোন এক শ্রেনিবিশেষ এর জন্য যে কোন লেখা হতে পারে। এইসব আর্টিকেল যখন কোথাও প্রকাশিত করা হয় তখন তাকে কন্টেন্ট বলে। আর হ্যা, আমি নতুনদের জন্য কোনভাবে গোজা মিল দিলাম কোন এক বিশেষ উদ্দেশ্যে। আর তা হল আমি এখানে শুধু অনলাইন কন্টেন্ট কে ফোকাস করে আলোচনা করব।

একমাত্র পেশা না পার্ট টাইম পেশা হিসেবে নিবেনঃ

কন্টেন্ট রাইটিং পার্ট টাইম না ফুল টাইম পেশা হিসেবে নেয়া যাবে এ প্রশ্ন আমাকে করলে আমি বলব এর কোনটিই নয় বরং একটি নেশা হিসেবে নিন। সঠিক সময়ে আপনি বুঝতে পারবেন এটি আপনার জন্য পেশা হিসেবে নেয়া ঠিক হবে কিনা।আর একটি কথা বলে রাখছি, অনলাইন জগতে সবচেয়ে বেশি চাহিদা কন্টেন্ট এর। এজগতটি যত বড় হচ্ছে রাইটারের আভাব ততই বাড়ছে। আর্থিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলতে গেলে বলব আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে প্রতিদিন ২-৩ ঘণ্টা কাজ করে শুরুর দিকে ৫০০০-৭০০০ টাকা কামানো সম্ভব। আর্টিকেলের মান ভাল হলে ১০,০০০-১৫,০০০ টাকা কামানো সম্ভব। আর ফুল টাইমে এর পরিমান দাড়াতে পারে ২৫,০০০-৩০,০০০ টাকা। তবে আপনি যদি UpWork, Elance, Freelancer, Fiverr এর মত মার্কেটপ্লেসেগুলুতে কাজ করতে পাড়েন তবে প্রতি আর্টিকেলে $৩-$১৫ মূল্য পেতে পাড়েন। আমি পানির মত বলে গেলাম, আপনি কিন্তু পানির মত সোজা মনে করবেন না। এ সবের জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন ভাল রাইটার হতে হবে।

কন্টেন্ট রাইটিং এর প্রকারভেদ সমূহ:

কন্টেন্ট তো অনেক ধরনের পড়ে থাকি আমরা। হয়তো কোনটা গল্প আকারে, কোনটা ইনফরমেশন আকারে বা পয়েন্ট আকারে এবং রিসার্চ ভিওিক।
মূলত কন্টেন্ট রাইটিং কে ৮ টি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যাকে বলা হয় কন্টেন্ট রাইটিং মার্কেটিং।
তবে চলুন শুরু করা যাক।

১. ব্লগিং ( blogging)
সাধারণত যখন কোন বিষয় নিয়ে গুগল সার্চ করি আমরা, তখন সেই বিষয়ের সাথে রিলেটেড টপিক গুলির ব্লগের পোস্ট গুলো পর্যাক্রমে দেখা থাকে। রিডারের সাথে সংযোগ তৈরি করা সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। কন্টেন্ট মার্কেটিং এ ব্লগিং- কে রাজা বলা হয়।

২.লংফর্ম বা দীর্ঘ রূপ কন্টেন্ট (long-form)
এই কন্টেন্ট গুলো মূলত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ অ্যামাজন তাদের প্রোডাক্ট এর কন্টেন্ট গুলো তৈরি করে থাকে বা টুরিস্য গাইডের কন্টেন্ট গুলো এই ধাচের থাকে।অনলাইন এগুলো অজস্র। সাধারণত এখানে ১০০০ শব্দের না ৫০০০- ১৫০০০ শ্বদের কন্টেন্ট দেখা যায়।    

৩.কেস স্টাডি কন্টেন্ট (case study)     
এখানে কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর গবেষণা ভিওিক তথ্যগুলো তুলে ধরা হয় বিস্তারিত ভাবে। সমস্যা, কারন, গবেষণা ও ফলাফল। এই ধরনের কন্টেন্ট তৈরিতে প্রচন্ড গবেষণার দরকার হয় এবং বাস্তবিক ঘটনার অভিজ্ঞতা বেশ প্রয়োজন হয়।
        
 ৪) হোয়াইট পেপারস  ( white papers)
এই ধরনের  কন্টেন্ট গুলো গভীর তথ্য দিয়ে সাজানো থাকে। সাধারণত ব্যবসায়িক কোন সমস্যার সমাধান ভিওিক বা তথ্য বহুল ভাবে সাজানো থাকে। আপনি কোন টিমের  লিডারশীপ পালন করলে এই ধরনের কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়। ব্যবসায়িক কাজে এই ধরনের কন্টেন্ট ব্যবহার করা হয়।

৫) ই-বুক (e-book)
ই-বুকের সাথে আমরা পরিচিত এই গ্রুপের কল্যাণে। এখানে একটি বই আকারে কন্টেন্ট দেয়া থাকে। একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সাধারণত এক পৃষ্টায় দুইটি কলাম বা অনুচ্ছেদ আকারে কন্টেন্ট দেয়া থাকে। ই-বুক হতে পারে পাঁচ পৃষ্ঠার থেকে  এিশ পৃষ্ঠা হতে পারে।

৬.ইনফো গ্রাফিক্স (info-graphics)
ইনফো গ্রাফিক্স এ একটি ছবি  বা ডায়াগ্রামের সাহায্যেে নির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হয় এবং কন্টেন্ট গুলো কী ওর্য়াড বেসিস সাজানো। যেমনঃ কোন বয়সের লোক স্মার্ট ফোন বেশি ব্যবহার করে। একটি ডায়াগ্রাম এবং কী ওর্য়াড বেসিস কন্টেন্ট গুলো দিয়ে পুরো চিএ তুলে ধরা হয়।  এ সকল কন্টন্টে ইনফোরমেশন কে হাইলাইট করা হয়। প্রচন্ড পরিমান স্টাডি করতে হয় এই কন্টেন্ট তৈরি তে।

৭.-টেমপ্লেট এবং চেক লিস্ট (template & checklist)
এখানে কন্টেন্ট গুলো  একটা প্রধান পয়েন্ট বল্ড করা থাকে এবং তার নিচে পয়েন্টার ব্যাখা দেয়া থাকে। সূচনা থেকে সমাপ্ত প্রত্যেকটা পয়েন্টর এ ব্যাখা  দেয়া থাকে। ছোট একটা লিখনির মাধ্যমে মূল বিষয়টা তুলে ধরা হয়।

৮.ভিডিও (video)
ভিডিও একটি কন্টেন্ট এর প্রকারভেদ। মূলত একটি কন্টেন্ট কে ভয়েস এবং কিছু ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। রিডাররা অনেকেই আছেন পড়ার চেয়ে শুনতে বা দেখতে বেশি পছন্দ করেন না
তারা এই ধরনের কন্টেন্ট বেশি  দেখে থাকেন। বর্তমানে এই কন্টেন্ট এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
কন্টেন্ট রাইটিং এই ৮ টি ধরন দেখা যায় । প্রয়োজন অনুসারে তা ব্যবহার  করা হয়।   

কন্টেন্ট রাইটিং কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?

APA Style, MLA, Chicago style proofreading জানাটা জরুরি। APA হলো American Psychological Association এবং MLA হলো Modern Languages Association. এছাড়া ব্রিটিশ ইংরেজির জন্য অক্সফোর্ড স্টাইলের Proof reading ও Editing জানলেও ভালো কাজ দেবে।
এসব প্রুফরিডিং বিষয়ে অনলাইন থেকে অনেক সাহায্য পাবেন। নীলক্ষেতেও বই পাবেন আশা করি। তবে নিয়মগুলো বেশ ভালোভাবে রপ্ত করতে হবে। আপওয়ার্ক এগুলোর পরীক্ষা আছে। পরীক্ষাগুলোয় প্রথম ১০ শতাংশ বা ২০ শতাংশের মধ্যে থাকলে এ ধরনের কাজ পাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।
এছাড়া আপনি নমুনা হিসেবে একটি দুর্বল লেখা জোগাড় করে তার প্রুফরিডিং এবং এডিটিং করে রাখুন। প্রয়োজনে এমপ্লয়ারকে দেখাতে পারবেন। এছাড়াও ইজিনআর্টিকেলসডটকমে কয়েকটি আর্টিকেল প্রকাশ করে রাখুন নমুনা হিসেবে দেখানোর জন্য।
সাফল্য আপনার হাতের মুঠোয় আসবে, যদি সঠিক প্রস্ত্ততি নেয়ার পর কাজের জন্য বিড করা শুরু করেন এবং ডেডলাইন মেনে কাজে ফাঁকি না দিয়ে এগোতে থাকেন। তাহলে এমপ্লয়ারেরা আপনাকে ছাড়তে চাইবে না।
ট্রান্সলেশন : ইংরেজি-বাংলা বা বাংলা-ইংরেজির অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে কম থাকে। বরং প্রফেশনাল সাইট যেমন- ট্রানস্লেটরসবেজডটকম, প্রজডটকম ইত্যাদি সাইটে থাকে এবং এসব সাইটে প্রথমেই পে করে মেম্বারশিপ নিতে হয়। তাই সমস্যা। ব্যক্তিগতভাবে অনুবাদের কাজে আগ্রহ থাকলেও এ সমস্যার জন্য কাজ করা সমস্যা হয়।

ট্রান্সক্রিপশন : এটি খুবই ভালো আয়ের সুযোগ করে দিতে পারে যদি আপনি দক্ষ হতে পারেন। আপনাকে করতে হবে : একটি অডিও ফাইল কানে শুনবেন বা একটি ভিডিও দেখবেন এবং সেখানে উচ্চারিত ইংরেজি হুবহু টাইপ করে দেবেন।
অর্থাৎ আপনার প্রয়োজন মূল দু’টি দক্ষতা :
০১.ইংরেজি শুনে বোঝা এবং
০২. দ্রুত টাইপিং দক্ষতা।
এতে রেট কেমন হয়? সাধারণত এক ঘণ্টার অডিও বা ভিডিওর জন্য ১০-১৫ ডলার। আপনি যদি শুধু এই কাজের জন্য উপযুক্ত হয়ে ওঠেন, তাহলে বেশ কাজের সুযোগ আছে।
সামারাইজেশন : সামারাইজেশন কাজটি হচ্ছে একটি আর্টিকেল বা ব্লগ পোস্টকে ১০০-১৫০ শব্দে রূপ দেয়া। কখনো কোনো বইয়ের সংক্ষিপ্ত রূপও চাইতে পারে।

রিজিউম রাইটিং : আমেরিকান কর্পোরেট জগত বা ইন্টারনেট জগতের জন্য উপযুক্ত রিজিউমে বা সিভি তৈরি করতে পারলে এ ধরনের কাজও যথেষ্ট পাওয়া যাবে।

প্রেস রিলিজ রাইটিং : বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা ওয়েবসাইটের জন্য প্রেস রিলিজ লেখার কাজ প্রায়দিনই পাওয়া যাবে। এজন্য আপনাকে প্রেস রিলিজ লেখার সঠিক ফরমেট ও স্টাইল জানতে হবে। এজন্য হয়তো পিআরওয়েবডটকম সাহায্য করতে পারে। আপনাকে প্রমাণ করতে হবে আপনি সঠিক স্টাইলে পিআর তৈরি করতে পারেন।
প্রেস রিলিজের পেমেন্ট আর্টিকেল রাইটিংয়ের চেয়ে বেশি হয়। একটির জন্য ৫-১০ ডলার হয়ে থাকে। কাজও প্রায়ই থাকে।
পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন : এটি আসলে ইংরেজি ও পাওয়ার পয়েন্ট দক্ষতার সমন্বয়। আপনাকে কোনো বইয়ের চ্যাপ্টার বা মিটিংয়ের বিষয়বস্ত্ত বা টিউটোরিয়াল সম্বন্ধে প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে হবে। পেমেন্ট ভালো। মাঝে মাঝেই কাজ থাকে।


একজন কন্টেন্ট রাইটার কোথায় কাজ করেন?

·         পত্রিকা ও ম্যাগাজিন;
·         অনলাইন পোর্টাল ও কমার্শিয়াল ব্লগ;
·         বিজ্ঞাপনী সংস্থা;
·         অনলাইন মার্কেটপ্লেস;
বিভিন্ন টিভি চ্যানেল বর্তমানে তাদের অনলাইন ভার্সনে প্রতিদিনের খবরের পাশাপাশি অন্য লেখা ছাপিয়ে থাকে। এসব লেখা তারা সাধারণত ফ্রিল্যান্স রাইটারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে।
স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাইলে আপনি বেছে নিতে পারেন অনলাইন কোন মার্কেটপ্লেস। যেমনঃ ফ্রিল্যান্সার বা ফিভারের মতো জনপ্রিয় সাইটগুলোতে কন্টেন্ট রাইটার হিসাবে কাজ করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে।
আজকাল বহু প্রতিষ্ঠান ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে কন্টেন্ট তৈরি করে। সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া আর অনলাইনে এসব কন্টেন্ট প্রকাশ করে তারা। তবে এ ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ এখনো সীমিত।

একজন কন্টেন্ট রাইটারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিষয়ে স্নাতক পাশ করা থাকলে কাজ পাবার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন। টেলিভিশন আর প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক হতে চাইলে সাংবাদিকতায় পড়াশোনা থাকা ভালো। তবে যেহেতু এটি একটি সৃজনশীল পেশা, সেহেতু পূর্ব অভিজ্ঞতা আর লেখার মানের উপর নির্ভর করে কাজ পাওয়া সম্ভব।
বয়সঃ নির্দিষ্ট কোন বয়স নেই। সাধারণত কমপক্ষে ২২ বা ২৩ বছর বয়স উল্লেখ করা হয়।

একজন কন্টেন্ট রাইটারের কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

·         বাংলায় লিখতে চাইলে বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণের উপর ভালো জ্ঞান;
·         ইংরেজিতে লিখতে চাইলে ইংরেজি ভাষা ও ব্যাকরণের উপর ভালো জ্ঞান;
·         কোন বিষয় নিয়ে গবেষণা করার দক্ষতা;
·         সহজেই বোঝা যায়, এমনভাবে লেখার ক্ষমতা;
·         লেখার ভেতর বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে পারা;
·         ঠিক বানানে দ্রুত লেখার অভ্যাস।
টেকনিক্যাল বিষয়ে লিখতে হলে সে বিষয়ের উপর দীর্ঘমেয়াদী পড়াশোনা থাকা জরুরি। যেমনঃ ইতিহাসের ছাত্র হয়ে থাকলে মেডিকেল প্রযুক্তি নিয়ে লেখা আপনার জন্য কষ্টসাধ্য হবে।
অনলাইনে কাজ করার জন্য কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (যেমনঃ ওয়ার্ডপ্রেস) আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) নিয়ে ভালো ধারণা থাকলে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে অনেক।

কন্টেন্ট রাইটিং এর প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার:

*Dupe free Pro software
* Word web.
* Note pad.
* MS Word.
* File Format Converter

কোথায় কাজ পাবেন?

www.upwork.com,
www.freelancer.com,
www.fiverr.com

এই সাইট গুলোয় মুলত ভাল মানের কাজ পাবেন।

ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে একজন কন্টেন্ট রাইটারের

পত্রিকা বা অনলাইন পোর্টালগুলোতে এন্ট্রি লেভেলে কন্টেন্ট রাইটার হিসাবে যোগ দিলে পরে সিনিয়র রাইটার অথবা সাব-এডিটরের পদে উন্নীত হবেন। সবচেয়ে ভালো ক্ষেত্রে চীফ এডিটর হিসাবে নিয়োগ পেতে পারেন।
বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করলে ৪-৫ বছর পর মার্কেটিং ম্যানেজার বা সিনিয়র কপিরাইটারের পদ পাবার সুযোগ রয়েছে।