যেকেউ ইউটিউবে চ্যানেল খুলে ভিডিও আপলোড করে তা থেকে আয়
করতে পারে। এটি একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু এই উন্মুক্ত প্লাটফর্মে প্রবেশ করা
যতটা সহজ, এখান থেকে সফল হওয়া ততটা সহজ নয়। ইউটিউবে সাফল্যের জন্য নানান খুটিনাটি
বিষয়ে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে হয়। নিয়মিত চ্যানেলের এসইও করতে হয়, এবং মনোযোগ ধরে রেখে
দীর্ঘদিন ভিডিও আপলোড করে যেতে হয়।
তবে একটি ইউটিউব চ্যানেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো
তার কনটেন্ট, অর্থাৎ ভিডিও। আপনার তৈরি করা ভিডিও ইউটিউবের দর্শক দেখবে কিনা তা নির্ভর
করে আপনার ভিডিও তৈরীর দক্ষতার ওপর। আপনার ভিডিওর মান এবং বিষয়বস্তু দর্শকের কাছে
যতটা আকর্ষণীয় হবে দর্শক আপনার চ্যানেল ততটাই আগ্রহ নিয়ে দেখবে। ইউটিউব চ্যানেলে
অধিক সাবস্ক্রাইব, এবং ভিউ পাওয়ার জন্য ভালো ভিডিও তৈরির বিকল্প নেই।
ক্রিয়েটিভ ভিডিও তৈরীর নানারকম কৌশল
বিয়ের আকর্ষনীয় মুহুর্ত ক্যাপচার করুন – আপনি বিয়েতে বিয়ের আকর্ষনীয় মুহুর্ত ক্যাপচার করতে পারেন। বিয়ে মানেই অনেক স্মৃতি। অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্য আপনার সামনেই এসে ধরা দিবে। আপনার হাতের মোবাইলেও ধারন করতে পারেন সেসব দৃশ্য। ভিডিও কন্টেন্ট থেকে আয় করতে আপনার ভিডিওটিতে ক্রিয়েটিভ কিছু এড করার চিন্তা করুন।
বিয়ের আকর্ষনীয় মুহুর্ত ক্যাপচার করুন – আপনি বিয়েতে বিয়ের আকর্ষনীয় মুহুর্ত ক্যাপচার করতে পারেন। বিয়ে মানেই অনেক স্মৃতি। অনেক সুন্দর সুন্দর দৃশ্য আপনার সামনেই এসে ধরা দিবে। আপনার হাতের মোবাইলেও ধারন করতে পারেন সেসব দৃশ্য। ভিডিও কন্টেন্ট থেকে আয় করতে আপনার ভিডিওটিতে ক্রিয়েটিভ কিছু এড করার চিন্তা করুন।
বর ও নববধুকে নিয়ে সুন্দরটি ভিডিও শুট করুন। বিয়ে অত্যান্ত আবেগ এবং পারিবারিক মিলনের এক সুন্দর পটভূমি। গান, নৃত্য, হাসি, কান্না কি নেই আজকালকার বিয়েতে। বিয়েতে অনেক শিশুও উপস্থিত হয়, তাদের হাসি ক্যাপচার করুন।
এমন ভিডিও তৈরি করতে আপনার কি খুব টাকা খরচ হবে? বাঙ্গালীদের বিয়েতে তো অনেক অনেক মজার মজার দৃশ্য থাকে। আপনি একাগ্র হলে আপনার হাতেই ধরা দিবে সব থেকে সুন্দর মুহুর্তগুলো। এরকম ভিডিও ভিউ অবশ্যই পাবেন।
আমার পরামর্শ: শিশুতের হাতে কিছু টাকা দিয়ে যাই অভিনয় করাবেন তারা তাই করবে। আপনি শুধু তাদের মধ্য থেকে দৃশ্যগুলো বের করে আনুন।
বিপদজনক মুহুর্ত ক্যাপচার করুন – দুংখজনক হলেও সত্য মানুষজন এমন ভিডিও দেখতে অনেক আগ্রহী। কোথাও আগুন লাগার খবর পেয়েছেন? ছিনতাইকারী ধরা হয়েছে? এসব দৃশ্যের চাহিদা অনেক। মুহুর্তেই এসব ভিডিও শেয়ার হয়ে ছড়িয়ে যায় সবর্ত্র।
ভিডিও গান রেকর্ড করুন – আপনার
আশে পাশেই অনেক ছোট বড় শিল্পি আছেন যারা ভালো গান জানেন কিন্তু তারা কখনই মিডিয়ায় আসার
সুযোগ পান নি। তাদের খুজে বের করুন। অনেক ভিখারীর কন্ঠও আপনি পেয়ে যাবেন যা আপনাকে
মুগ্ধ করবে। দেরি কেন? চলুন তাদের নিয়ে কাজ করি।
আমার পরামর্শ: তাদের ভিডিও দিয়ে আপনি আয় করবেন তাই তাদের হাতেও কিছু টাকা ধরিয়ে দিন।
বিজ্ঞাপন তৈরি করুন – আপনার আশে পাশেই অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাদের বিজ্ঞাপন করার সামর্থ নাই। দেশীয় পণ্যের একদিকে প্রচার হলো অন্যদিকে আপনারও আয় হলো। আপনার পাড়ার সামনের চা দোকানে বসেই এমন অনেক দৃশ্য পেয়ে যাবেন। হকারদের প্রডাক্ট বিক্রয় করার দৃশ্যও ক্যাপচার করতে পারেন। বিভিন্ন প্রডাক্টের গুনগত মান কেমন তা নিয়েও ভিডিও তৈরি করতে পারেন।
আমার পরামর্শ: তাদের ভিডিও দিয়ে আপনি আয় করবেন তাই তাদের হাতেও কিছু টাকা ধরিয়ে দিন।
বিজ্ঞাপন তৈরি করুন – আপনার আশে পাশেই অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাদের বিজ্ঞাপন করার সামর্থ নাই। দেশীয় পণ্যের একদিকে প্রচার হলো অন্যদিকে আপনারও আয় হলো। আপনার পাড়ার সামনের চা দোকানে বসেই এমন অনেক দৃশ্য পেয়ে যাবেন। হকারদের প্রডাক্ট বিক্রয় করার দৃশ্যও ক্যাপচার করতে পারেন। বিভিন্ন প্রডাক্টের গুনগত মান কেমন তা নিয়েও ভিডিও তৈরি করতে পারেন।
আমরা দৈনন্দিন ব্যবহার করি এমন অনেক প্রডাক্টই আছে যা নিয়ে আমরা ভিডিও তৈরি
করতে পারি। যেমন ফার্নিচারের দোকানে আকর্ষনীয় ডিজাইনে তৈরি করা ফার্নিচারের উপর ভিডিও
তৈরি করুন।
আমার পরামর্শ: দেশীয় প্রডাক্ট বেশী করে প্রচার করুন।
ভ্রমন কাহিনী – কোথাও বেড়াতে গেছেন? ভিডিও ক্যামেরাটি অন রাখুন। মানুষদের দৃশ্যগুলো দেখান যেন তারা ভ্রমণে আগ্রহী হয়। এসব জায়গায় ভ্রমণে কি কি প্রস্তুতি নিয়ে আসা উচিত তাই আপনার ভিডিওতে বলুন। সেসব জায়গায় কোন অনিরাপত্তা থাকলে সেগুলো সম্পর্কে সচেতন করুন। ভ্রমণের জন্য কোন সময়টা উত্তম সেটাও উল্লেখ করুন।
আমার পরামর্শ: দেশীয় প্রডাক্ট বেশী করে প্রচার করুন।
ভ্রমন কাহিনী – কোথাও বেড়াতে গেছেন? ভিডিও ক্যামেরাটি অন রাখুন। মানুষদের দৃশ্যগুলো দেখান যেন তারা ভ্রমণে আগ্রহী হয়। এসব জায়গায় ভ্রমণে কি কি প্রস্তুতি নিয়ে আসা উচিত তাই আপনার ভিডিওতে বলুন। সেসব জায়গায় কোন অনিরাপত্তা থাকলে সেগুলো সম্পর্কে সচেতন করুন। ভ্রমণের জন্য কোন সময়টা উত্তম সেটাও উল্লেখ করুন।
অরিগামি
টাইপের জিনিসের উপর ভিডিও – অরিগামি মানে কাগজকে টুকরা না করে শুধু মাত্র ভাজ করে সেটি দিয়ে পাখি,
নৌকা, ফুল এই টাইপের জিনিস বানানো। এছাড়া ফেলনা জিনিসকে (প্লাস্টিকের বোতল, পুরাতন
কলম, পন্য বহনকারি কার্টুন, ফেলে দেওয়া বাক্স) কাজে লাগিয়ে কি করে ব্যবহার যোগ্য
জিনিস বানানো যায় তার উপরে অসংখ্য ক্রিয়েটিভ ভিডিও বানাতে পারেন।
ঘরোয়া
কাজের উপর ভিডিও বানাতে পারেন – যেমন বই বাধাই করা, ঘোলা আয়না কি করে পরিষ্কার করা যায়,
রান্নাবান্না, সেলাই, বাগান পরিচর্যা এসব টপিকের উপর ভিডিও বানাতে পারেন। এসব
জিনিস অনেকেই খুজে ইউটিউবে। তার মানে বেশ ভালো অঙ্কের সাবস্ক্রাইবার পাবেন।
পেইন্টিং – পেন্টিং মানে ছবি আকা না। পেইন্টিং মানে
বিশাল একটা বিষয়। আপনি যদি ভালো আঁকতে পারেন তাহলে আপনি আপনার ইউটিউব
চ্যানেলে থ্রিডি পেইন্ট, ইলিউসন পেইন্ট, ফর্মাল পেইন্ট, এসবের উপর নিজের
বানানো ভিডিও আপলোড করতে পারেন। এই ভিডিও গুলো যদি ক্রিয়েটিভ এবং সহজ কিছু স্টেপের
মাধ্যমে উপস্থাপন করেন তাহলে এটিই হতে পারে আপনার মুল কাজের এবং আয়ের ক্ষেত্র।
মাইক্রোকন্টোলিং
নিয়ে ভিডিও – জিনিসদের
দৃষ্টি আকর্ষন করছি। রোবট, সার্কিট, ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে গ্রুপের এক জন একটা
চ্যানেল করা উচিত। নিজের বানানো অথবা অন্যের আইডিয়া থেকে বানানো প্রজেক্ট গুলো
নিয়ে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করে ভিডিও বানানো যেতে পারে (কেও সাবস্ক্রাইব না করলেও
আমি করবো)। তাছাড়া আপনি চ্যানেলে আরো কিছু ভিডিও রাখতে পারেন যেমন নষ্ট রিমোট,
টর্চ, ক্যালকুলেটর, প্রয়োজনিয় ইলেক্টনিক্স জিনিসপত্র কি করে ঠিক করা যায় তার উপর।
এক বন্যা শেয়ার পেতেও পারেন।
হয়ে যেতে
পারেন শিক্ষক – আপনি
হয়তো পিয়ানো, গীটার, তবলা বাজাতে পারেন। অথবা আপনি অনেক ভালো নাচতে পারেন। এখন
আপনার মোবাইল ফোনটি ব্যাবহার করুন। ইউটিউবএ আমাদের বাংলাদেশি এখনো কোন চ্যানেল নাই
যেখানে পিয়ানো, গীটার, নাচ অথবা গান শিখানো হয়। আপনি পারলে আপনিও শুরু করতে পারেন।
বেশ সাড়া পাবেন।
খেলাধুলার
উপর কিছু ভিডিও করতে পারেন – হয়তো আপনি অনেক ভালো সাইকেল চালাতে পারেন অথবা ভালো ক্রিকেট,
ফুটবল খেলতে পারেন। আপনি আপনার চ্যানেলে বিভিন্ন রকম ক্রিকেটের ভালো শর্ট খেলার
কৌশল, ভালো ফুটবল খেলার কৌশল, সাইকেলের হরেক রকম স্টান্ট, শেয়ার করতে পারেন। এই
রকম বাংলা ভিডিওর অনেক অভাব আছে।
নিজেকে
ভালো করে উপস্থাপন করতে পারেন – সেই দিন ফেসবুকে এক ভাইের সাথে কথা হল/ সে ভালো আরজে হতে
পারতো। হয়তো ভাগ্যের জন্য হতে পারে নাই। আপনারও হয়তো সেই মেধা আছে। সুন্দর করে
আপনি মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড অন করে আপনি সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ঘটনাকে মজার কিছু
ভঙ্গিমাতে উপস্থাপন করতে পারেন। পারলে বন্ধুদের হেল্প নিতে পারেন। মনে রাখবেন
মানুষ অধিকাংশ সময় বিনোদনের জন্যই ইউটিউবে যায়।
আপনি যদি আপনার এই রকম বিনোদন মুলক
চ্যানেলের মাধ্যমে যুক্তি-যুক্ত কিছু তুলে ধরতে পারেন তাহলে সাবস্ক্রাইবার তর তর
করে বেড়ে যাবে।। তাছাড়া আপনি যদি নিজেকে আর ভালো করে উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে
আপনি পাঠ্যবইের কিছু বিশ্রী সমস্যার সহজ এবং সাবলীল সমাধান দিতে পারেন আপনার
ভিডিওতে। যেমন পিথাগোরাসের সেই উপপাদ্য, নিউটনের দাঁতভাঙ্গা প্রস্তাবনার সমাধান,
গাণিতিক বিখ্যাত সমস্যা গুলোর সমাধান। আর অবশ্যই ভিডিও আপলোড করার
পরে এসইও করার কথা ভুলবেন না।
নতুন
আপডেট হতে পারে একটি চ্যানেল আইডিয়া – এই আইডিয়া কতটা কার্যকর জানি না। তবে আমি বিদেশি কিছু নামি
চ্যানেলে দেখেছি এটা। ওদের কাজ হল ওরা তাদের চ্যানেলের মাধ্যমে সাম্প্রতিক হয়ে
যাওয়া ঘটনা, দুর্ঘটনা, খেলার গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইট, এসব উপস্থাপন করে। আপনিও কাজে
লাগিয়ে দেখতে পারেন। তবে ভিডিও কপি করা থেকে দূরে থাকবেন। নিজে উপস্থাপন করবেন।
লাগলে কিছু ছবি এড করতে পারেন। সরাসরি কপি করবেন না।
সেরা ইউটিউব ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার ও
অ্যাপ্লিকেশন
# 1. iMovie
অপারেটিং সিস্টেম: ম্যাক
iMovie অ্যাপলের এর ভোক্তা শেষ ভিডিও
এডিটিং সফটওয়্যার. এটা অবিশ্বাস্যভাবে সহজ-থেকে-ব্যবহার এবং ব্যবহারিক ড্র্যাগ N-
ড্রপ বৈশিষ্ট্য সহজ করে আপনার ভিডিও সম্পাদনা করে তোলে. এর সাথে, আপনি প্রভাব, শিরোনাম,
সাউন্ডট্র্যাক যোগ এবং আপনার ভিডিও থেকে অন্যান্য ভিডিও এডিটিং কর্ম নির্বাহ করতে পারেন.
সম্পাদনা সম্পন্ন করা হয়, আপনি অবিলম্বে এটি পূর্বরূপ বড়-পর্দায় দেখার জন্য এইচডিতে
সংরক্ষণ, ডিভিডি বার্ন বা YouTube- এ আপলোড করতে পারেন.
# 2. উইন্ডোজ মুভি মেকার
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোজ
উইন্ডোজ মুভি মেকার একটি ফ্রি দুর্দান্ত
ভিডিও এডিটিং টুল এবং বহু বছর ধরে উইন্ডোজ সিস্টেমের একটি অংশ হয়েছে. এটি বিভিন্ন
ফরম্যাটের ভিডিও এবং বিভিন্ন ভিডিও এডিটিং ফাংশন রয়েছে. আপনি সহজেই, ভিডিও এবং ভিডিও
একত্রিত ট্রানজিশন এবং প্রভাব যোগ, সঙ্গীত বা শব্দ সন্নিবেশ এবং প্লেব্যাক গতি খামচি,
ইউটিউব এবং আরো পোস্ট করতে পারেন.
উইন্ডোজ মুভি মেকার সম্পর্কে আরো জানুন >>
# 3. (মূলত Wondershare Video Editor)
Wondershare Filmora
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোজ ও ম্যাক
Wondershare Filmora (মূলত
Wondershare Video Editor) আপনি অনায়াসে আশ্চর্যজনক চেহারা ভিডিও সম্পাদনা করতে দেয়.
এটি আবর্তিত এবং ছাঁটা, ফসল মত ক্লাসিক এডিটিং ফাংশন ব্যবহার, সহজ আড়ম্বরপূর্ণ শিরোনাম
পর্দা, রঙিন ফিল্টার প্রভাব, রূপান্তর / গতি প্রভাব মত পেশাদার অতিরিক্ত. এটা এমনকি
বন্ধ এবং আরও মুখোমুখি, ইন্ট্রো / ক্রেডিট পর্দা, বীচি, সবুজ পর্দা, ঢাল স্থানান্তর,
মোজাইক দাগ মত বিশেষ বৈশিষ্ট্য সঙ্গে এমনকি আরও আপনার ভিডিও লাগে. আপনি আপনার ভিডিও
নির্মাণ সমাপ্ত হলে, তাদের ওয়েব-প্রস্তুত ইউটিউব ও ফেসবুকে আপলোড করতে.
Wondershare Filmora সম্পর্কে আরো জানুন >>
# 4. Lightworks
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোজ ও লিনাক্স
Lightworks একটি ফ্রি এখনো শক্তিশালী
ভিডিও এডিটিং টুল. এটি একটি ব্যবহারকারী বান্ধব ইন্টারফেস সঙ্গে আসে কার্যত কোনো ভিডিও
ফরম্যাট সমর্থন করে এবং বিভিন্ন পেশাদার-স্তরের সরঞ্জাম উপলব্ধ করা হয়. এটি একটি খাড়া
লার্নিং কার্ভ প্রয়োজন হলেও, আপনি পরিশেষে এটি দিতে অনেক আছে খুঁজে পাবেন. আপনি একটা
সাশ্রয়ী মূল্যের পেশাদার YouTube ভিডিও সম্পাদক খুঁজছেন, এই এক মিস্ না!
Lightworksসম্পর্কে আরো জানুন >>
# 5. সনি ভেগাস প্রো
অপারেটিং সিস্টেম: উইন্ডোজ
সনি ভেগাস প্রো ভয়ঙ্কর মহান এডিটিং বৈশিষ্ট্য
সঙ্গে বস্তাবন্দী একটি উচ্চ শেষ ভিডিও এডিটর. এটি প্রায় সব ফরম্যাটের ভিডিও সঙ্গে
সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রভাব সমর্থন প্লাগ ইন রিয়েল টাইম মাল্টি-ট্র্যাক ভিডিও এবং অডিও
এডিটিং, রেজল্যুশন-স্বাধীন ভিডিও সিকোয়েন্সিং, জটিল প্রভাব ও কম্পোজিটিং সরঞ্জাম,
বৈশিষ্ট্য, এবং ডলবি ডিজিটাল সাউন্ড মিক্সিং ঘেরা.
সনি ভেগাস প্রো সম্পর্কে আরো জানুন >>
অডিও ইডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স
অডিও ইডিটিং অনেক গুরত্বপূর্ণ আপনার ভিডিওটির জন্য। আর অডিও ইডিটিং
এর উপর নির্ভর করে YouTube আপনার ভিডিওটি মনিটানাইজেশন করতে
দিবে কি দিবে না। আমি আপনাদেরকে কিছু টিপস বলে দিব সেগুলো যদি ঠিকমতো মেনে চলেন তাহলে
আশা করি আপনি একটি ভালো রেজাল্ট পাবেন YouTube এর কাছ থেকে।
i) প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার তৈরি করা অডিও
ফাইলে কোন ধরনের ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ নেই। ভয়েজ রেকর্ডিং – এ অনেক সময় এসি বা ফ্যান এর
শব্দ শোনা যায়, চেষ্টা করবেন এই জাতীয় নয়েজগুলো এড়িয়ে যেতে।
ii) একটি ভালো ভিডিও একটি খারাপ অডিওর
কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো অডিও দিতে। দরকার হলে নিজেই অডিও বানিয়ে
নিন। অন্যের অডিও কখনোই ব্যবহার করবেন না। অডিও বানানোর জন্য অনলাইনে অনেক সফটওয়্যার
পাওয়া যায়; সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
iii) আপনার অডিওটি আপনি নিজেই কয়েকবার
শুনুন, আপনার কাছে ভালো লাগলে এরপর আপনার ভিডিওর সাথে যোগ করুন।
চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানান
আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি
কাভার ফটো বানিয়ে ফেলুন। কাভার এবং লোগো বানানো জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার
করতে পারেন।
ভিডিওর টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ
টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ হচ্ছে একটি ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
অংশ। আপনার ভিডিও যত ভালোই হোক না কেন, এই তিনটি ছাড়া এর কোন মূল্য নেই। কয়েক হাজার
ভিডিও এর মধ্য থেকে মানুষ আপনার ভিডিও তখনই দেখবে যখন আপনার ভিডিওতে এই তিনটির সমন্বয়
থাকবে। শুরুতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আকর্ষণীয় টাইটেল তৈরি করুন। আর আপনার টাইটেল তৈরি
করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। চলুন দেখি কি কি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা
যায়।
i) কিওয়ার্ড রিসার্চ
পদ্ধতি–১ ইউটিউবে সার্চ দিতে পারেন আপনার
কাঙ্খিত ভিডিওর সাথে মিল রেখে। যেমন ধরুন আপনার ভিডিওটি যদি হয় মানি মেকিং নিয়ে তাহলে
ইউটিউবে সার্চ দিন- How to make money। এবার দেখুন কি কি রেজাল্ট দেখায়, এখান থেকেই
বেচে নিতে পারেন আপনার টাইটেল টি অথবা নিজেই এই সমস্ত টাইটেল থেকে আপনারটা বানিয়ে নিতে
পারেন।
পদ্ধতি– ২ আপনি যে টাইটেল দিতে চাচ্ছেন তা
ইউটিউবে লিখে সার্চ দিন, এবং দেখুন একদম প্রথমে কোনটি আছে। সেটার কাছাকাছি একটি টাইটেল
তৈরি করতে পারেন। শুধু টাইটেল নয়, আপনি ভালো করে দেখে নিন সেই ভিডিওতে কি কি ট্যাগ
ব্যবহার করা হয়েছে, আর বর্ণনাতে কি লেখা আছে। আপনি চাইলে সেগুলোও আপনার ভিডিওতে ব্যবহার
করতে পারেন, তবে সেটা নিজের মতো করে বানিয়ে নিবেন।
ii) বর্ণনা
বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনার একাউন্ট আছে সেগুলো।
বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনার একাউন্ট আছে সেগুলো।
iii) ট্যাগ
এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকরে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ ব্যবহার করুন আপনার ভিডিওতে এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।
এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকরে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ ব্যবহার করুন আপনার ভিডিওতে এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।
চলমান ঘটনা নিয়ে ভিডিও তৈরি
করুন
আপনার চারপাশে প্রতিনিয়তই
কোন না কোন ঘটনা ঘটছে। পারিবারিক থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক দূর্যোগ, ঘটনার শেষ নেই।
আপনার হাতে একটি চমৎকার ক্যামেরা রয়েছে, ক্যামেরা না থাক একটি স্মার্ট ফোন তো
রয়েছে, যেখানে ঘটনা সেখানেই শুরু করুন ভিডিও রেকর্ডিং। ইউটিউবে আপনার চ্যানেলে
আপলোড করে দিন, তারপর ছড়িয়ে দিন সোশাল মিডিয়ায়।
ইউটিউব ভিডিও মেকিং এর এই আইডিয়াগুলোর কোন
একটিও যদি আপনার পছন্দ হয়, আজই শুরু করুন সেই আইডিয়া নিয়ে মগজ ধোলাইয়ের কাজ, লিখে
ফেলুন কয়েকটি কনসেপ্ট, তারপর শুরু করুন ভিডিও তৈরি।






0 মন্তব্যসমূহ